চাকরি ছাড়ার সময় যা করবেনঃ

চাকরি ছাড়ার সময় যা করবেনঃ-

প্রায় প্রতিটি অফিসেই চাকরি ছাড়ার কয়েকদিন আগে মানবসম্পদ বিভাগকে অবহিত করার নিয়ম চালু থাকে। এ সময় মানবসম্পদ বিভাগ নতুন কর্মী নেওয়াসহ আপনার প্রাপ্য বেতন-বোনাসের হিসাব করার সুযোগ পায়।

আপনার অর্জিত ছুটি আর বেতন-বোনাস-সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে এ সময় আপনার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আর মানবসম্পদ বিভাগকে অবহিত করুন।

আর্থিক হিসাবনিকাশের দিকে খেয়াল রাখুন। বিল-বকেয়া কিংবা ছোটখাটো সব আর্থিক হিসাব মিটিয়ে ফেলুন।

আপনার নামে অফিস থেকে বরাদ্দ হওয়া ক্যামেরা, ল্যাপটপ, কম্পিউটার বা কোনো ইলেকট্রনিক গ্যাজেটস, গাড়ি-মোটরসাইকেল বা অন্যান্য যন্ত্রপাতি নির্দিষ্ট কর্মকর্তাকে বুঝিয়ে লিখিত ছাড়পত্র নিয়ে নেবেন।

পুরোনো অফিস থেকে আপনার অব্যাহতিপত্র আর অভিজ্ঞতার সনদ মানবসম্পদ বিভাগ থেকে নিতে ভুলবেন না। ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের জন্য অভিজ্ঞতা সনদ বেশ গুরুত্বপূর্ণ সনদ হিসেবে বিবেচিত হয়।

অফিসে ব্যবহৃত কম্পিউটার থেকে আপনার ব্যক্তিগত তথ্যাদি ও ফাইল মুছে ফেলুন। অন্য প্রয়োজনীয় ফাইলসমূহ দায়িত্বশীল কর্মকর্তাকে বুঝিয়ে দিন।

আপনার অফিসে ব্যক্তিগত ব্যবহারের বিভিন্ন বস্তু যেমন বই, ছবির ফ্রেম, অ্যাকুরিয়াম কিংবা শখের কলমদানি, মগ, গ্লাস সরিয়ে ফেলুন। অফিসের লাইব্রেরি থেকে বই নিলে তা ফেরত দিন।

চাকরি ছাড়ার শেষ দিন পর্যন্ত অফিসের নিয়মকানুনকে শ্রদ্ধা করুন। অধিকাংশ সময় দেখা যায়, চাকরি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েই প্রায় ৬০ শতাংশ কর্মী পুরোনো কর্মস্থলে অসৌজন্য ও বিশৃঙ্খল আচরণ করেন।

চাকরি ছাড়ার সময় অফিসের সহকর্মীদের সঙ্গে পুরোনো রাগ-অভিমান কাটিয়ে ফেলার আপ্রাণ চেষ্টা করুন। সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণের মাধ্যমে পুরোনো সহকর্মীদের সঙ্গে আপনার ইতিবাচক সম্পর্ক বজায় রাখুন।

সবশেষে, পুরোনো কর্মস্থলের সবাইকে ই-মেইলে কিংবা সরাসরি ধন্যবাদ জানিয়ে নতুন উদ্যমে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করুন।

যা করবেন না

পুরোনো অফিসের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য কিংবা দলিলপত্র নতুন অফিসে কাজে লাগবে, এমনটা ভেবে নিজের সঙ্গে নেওয়া কখনোই উচিত না।

পুরোনো সহকর্মী কিংবা অফিসের ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ কিংবা বাজে আচরণ করা থেকে বিরত থাকুন।

যে কোম্পানি ছেড়ে যাচ্ছেন সে কোম্পানি বা আপনার সেখানকার বস সম্পর্কে কোনো বাজে কথা বলবেন না। এমনকি আপনার সহকর্মীরা যদি আপনাকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেসও করে তাহলেও কিছু বলবেন না। কেউ হয়ত জিজ্ঞেস করতে পারে কোম্পানি বা বসের সঙ্গে কোনো ঝগড়া বা দ্বিমতের কারণেই কি আপনি চাকরি ছেড়ে দিচ্ছেন? এ ধরনের প্রশ্নের উত্তরে শুধু বলুন, ‘আমি বর্তমান চাকরির চেয়ে ভালো একটি সুযোগ পেয়েছি যা আমি কোনোভাবেই হাতছাড়া করতে চাই না।’

আপনার নতুন কর্মস্থলে চাকরির সুযোগের ব্যাপারে পুরোনো কর্মস্থলের সহকর্মীদের কিছুই বলতে যাবেন না। যদিও আপনার নতুন কর্মস্থলের বস আপনাকে ইতিমধ্যেই সেখানকার লোভনীয় বেতন-বোনাস সম্পর্কে কিছু বলে থাকেন বা আপনার বন্ধুদেরকেও সেখানে নিয়োগের ব্যাপারে উৎসাহিত করে থাকেন! এ ধরনের কাজ একটু ধৈর্য ধরেই করুন এবং এখনই নতুন কর্মস্থলের জন্য কর্মী নিয়োগের তৎপরতা শুরু করবেন না।

নতুন চাকরি সম্পর্কে পুরোনো সহকর্মীদের সঙ্গে গল্প অনেক সময় অন্যদের মধ্যে হতাশা তৈরি করে। এ আচরণ থেকে বিরত থাকুন।

নতুন জায়গায় যোগদানের আগের কয়েকটা দিন পুরোনো অফিসে নতুন অফিসের কাজকর্ম করা থেকে বিরত থাকুন।

Advertisements

ফ্রেশার জবের অভিজ্ঞতা পাঁচ পর্বের প্রথম পর্ব

ফ্রেশার জবের অভিজ্ঞতা
পাঁচ পর্বের প্রথম পর্ব

অনেকেই জানার জন্য আমাকে নক করে,ভাইয়া একজন IE ফ্রেশারের কাজ কি?
পাঁচ পর্বের প্রথম পর্ব ফ্রেশার জবে কি কি কাজ করতে হয়,শেয়ার করব।

জবের শুরুতে পরিচিত এবং পরিবেশ সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে হবে
(সুপারভাইজার,লাইনচীপ সহ আপনার লাইনের সকল অপারেটর এর নাম মনে রাখতে হবে দ্রুত)

Daily Responsibility
1.Manpower
2.Line balance
3Yesterday production
4.Production bord flow

  1. Input & Balance Check
    6.Total line m/c check
    7.Production study
    8.Next style Start
    *M/C setting
    *Style Change (last day output + new style Out)
    *Capacity
    8.Size set report
    9.Plan Check
    10.Running layout
    11.Next Sample, layout
    12.Output plane
    13.NPT(lose time,Collect time)
    14.Man power
    15.Efficiency
    & Other

সাথে থাকুন
প্রতি সপ্তাহে ধারাবাহিক পর্ব গুলো পাবেন।

গুগলের আরেক বাংলাদেশি প্রকৌশলী

গুগলের আরেক বাংলাদেশি প্রকৌশলী….
ভেবেছিলাম বুয়েটে CSE তে পড়ব।

ওমেকাতে পজিশনও খারাপ ছিল না। কিন্তু ভর্তি পরীক্ষার দিন কী হলো কয়েকটা অঙ্ক কোনোভাবেই মিলাতে পারলাম না। মনে করেছিলাম হয়তো চান্সই পাব না। রেজাল্টের পর দেখলাম কোনরকমে পেয়েছি, কিন্তু সিরিয়াল অনেক পেছনে। টেনেটুনে মেকানিকাল এ আসে, আরেকদিকে আর্কিটেকচার।

এর মাঝে আবার ঢাকা ভার্সিটির IBA এর BBA তে রিটেনএ টিকলাম। তখন IBA এর গ্রাজুয়েটদের অনেক দাম। ভাবলাম IBA তে হয়ে গেলে সেখানেই পড়ব, কিন্তু কিভাবে যেন সেখানেও ভাইভা তে বাদ পড়ে গেলাম।

তারপর ভাবলাম, আর্কিটেকচারে পড়ে দেশে একটা ফার্ম দিব, Creativity দিয়ে অনেক কিছু করে ফেলব। তাই মেকানিকাল এর এর চেয়ে আর্কিটেকচারই ভালো অপশন। ভর্তি হয়ে গেলাম সেখানেই। বন্ধুবান্ধব, বুয়েটে লাইফ ভালোই চলছিলো, কিন্তু অনেক আগে থেকেই বাইরে পড়তে যাবার একটা সুপ্ত ইচ্ছা ছিল। শুরু করলাম বাইরে অ্যাডমিশন এর চেষ্টার।

অনেকেই বললো এখন গিয়ে কী করবা, বুয়েটে শেষ করে মাস্টার্সএ যাও, Undergraduate এ গেলে নিজে টাকা দিয়ে পড়তে হবে। কিন্তু তারপরও হাল ছাড়লাম না। গেলাম ঢাকার idp তে, বললাম যে ANU তে নাকি ফুল স্কলারশিপ দেয়, কিভাবে কি করতে হবে? তারা বলল যে ইংলিশ মিডিয়াম হলে লাভ ছিল, বাংলা মিডিয়াম এর A+ এর দাম নাই। তারপরও নিজে থেকেই IELTS দিলাম, ANU তে অ্যাপ্লাই করলাম। কিন্তু লাভ হলোনা, শেষমেশ রিজেক্ট।

অস্ট্রেলিয়া তো আমাকে পাত্তা দিলোনা, ভাবলাম আমেরিকায় চেষ্টা করে দেখি। কিন্তু সেখানে আবার SAT আর TOEFL ছাড়া কিছু হয়না। সেগুলোও দিলাম। খুঁজে পেতে দেখলাম যে টপ ভার্সিটিগুলো চান্স পেলে financial aid দেয়। তাই ভাবলাম এবার তাহলে MIT তেই যাবো, বুয়েটে, ANU তো আর আমাকে বুঝলো না। 😛 সব ঠিকঠাক করে MIT তে অ্যাপ্লিকেশনও জমা দিলাম। (যদিও হাতে গোনা কয়েকজন ছাড়া এটা কেউ জানতো না)
কিন্তু শেষমেশ এখানেও রিজেক্ট।

এবার ঠিক করলাম জাপানে মনবসু (আসল উচ্চারণ “মনবুকাগাকুশো”) স্কলারশিপে পড়তে যাব। অ্যাপ্লাই করলাম, রিটেনএ টিক লাম, আমাদের ৪ জনকে এম্ব্যাসি থেকে সিলেক্ট করে ভাইভা তে ডাকলো। ভাইভাও খুব ভালো হলো। আমাদের কজনের নাম জাপানের মিনিস্ট্রিতে পাঠালো। কিন্তু এবার কি হলো, বাংলাদেশ থেকে ওরা একজন কেও সিলেক্ট করলো না আর আমার জাপানের সপ্ন স্বপ্নই রয়ে গেল।

জাপানি rejection এর কদিনপরে দেখলাম Korean Government Scholarship এর সার্কুলার। এবার ভাবলাম তাহলে কোরিয়াতেই যাই, SNU বা KAIST এ পড়বো, খারাপ কি। আসার আগে অনেকেই বলেছিল, বুয়েট ছেড়ে যাচ্ছ, ঠিক করছো তো? Korean ডিগ্রির আবার দাম আছে নাকি? ওখানে তো মানুষ কুকুরের মাংস খায়, ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু আমার কাছে সবসময়ই মনে হয়েছে যে যেকোনো গভর্নমেন্ট স্কলারশিপ অনেক গর্বের একটা বিষয়, এখানে একজন স্টুডেন্ট তার দেশের রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে নিজের দেশকে তুলে ধরতে পারে। এরকম সুযোগ হাতছাড়া করা ঠিক না। তাই সবকিছু উপেক্ষা করে বুয়েট ছেড়ে চলে আসলাম South Korea তে পড়তে।

এখানে এসে ১ বছর language course এর পরে বুঝতে পারলাম যে আমি SNU বা KAIST এ পড়তে পারবো না, কারণ আমি ভার্সিটি ট্র্যাকে অ্যাপ্লাই করেছি। যেই ভার্সিটির মাধ্যমে অ্যাপ্লাই করেছি সেখানেই পড়তে হবে। আর SNU বা KAIST এ পড়ার ইচ্ছাও আমার অপূর্ণই থেকে গেল।

পাস করার আগে/পরে Google, Facebook, Apple, LinkedIn এ অনেক cv জমা দিয়েছি। কিন্তু কোথাও থেকেই কখনো কল পাইনি। মাঝে কল পেয়েছিলাম ThinkCell নামে ছোট একটা জার্মান কোম্পানি থেকে। সেখানে ইন্টারভিউও দিয়েছিলাম। আবারও প্রথম রাউন্ডেই বাদ।

এর পরে একসময় গ্র্যাব থেকে ইন্টারভিউ এর কল পেয়েছিলাম। সেখানেও ইন্টারভিউ এর দ্বিতীয় রাউন্ডে বাদ পড়লাম।

তারপরও হাল ছাড়িনি, চেষ্টা করে গিয়েছি।
প্রথমেই থেমে গেলে হয়তো এতদূর আসা হতো না।

বুয়েট এর CSE কিংবা এমআই টি তে পড়ার সুযোগ হয়তো হয়নি কিন্তু আজ যতদূর আসতে পেরেছি সেটাও বা খারাপ কী?

যেকোনো সাকসেস এর পেছনে এরকম হাজারো ব্যার্থতা থাকবে।

So, don’t let your failures define who you are.

  • Zulkarnine Mahmud (06-08)
    Software Engineer, Google

মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় প্রান হারালেন বিজিএমইএ এবং ইন্টারটেক বাংলাদেশ এর সাবেক কর্মকর্তা এমদাদ-উল-হক।

মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় প্রান হারালেন বিজিএমইএ এবং ইন্টারটেক বাংলাদেশ এর সাবেক কর্মকর্তা এমদাদ-উল-হক।

মাশুক শাহারিয়ার স্বচ্ছ:গতকাল পূর্বাচল ৩০০ ফিট এলাকায় এক মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় প্রান হারালেন বিজিএমইএ এবং ইন্টারটেক বাংলাদেশ এর সাবেক কর্মকর্তা এমদাদ-উল-হক।

সূত্র থেকে জানা যায় গতকাল গভীর রাতে পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় তিনিসহ তার ৩ জন বন্ধু একটি গাড়িতে করে ঢাকায় ফিরছিলেন।তবে হঠাং করে গাড়িটি নিয়ন্ত্রন হারিয়ে রাস্তার পাশের একটি জলাশয়ে পড়ে যায়।

তবে দূর্ধটনার পরে বাকি তিনজন অক্ষত অবস্খায় গাড়ি থেকে বের হতে পারলেও এমদাদ-উল-হক বের হতে পারেননি।দ্রুত ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়ারপর তারা গাড়িসহ এমদাদ-উল-হকের মৃতদেহ উদ্ধার করেন।

তার এই অকাল মৃত্যূতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন JobsGtbm

যারা ফ্রেসার তাদের জন্যঃ

যারা ফ্রেসার তাদের জন্যঃ ১. সিভিতে অতিরিক্ত কিছু লেখা থেকে বিরত থাকুন ২. যা জানেন না বা পারেন না তা কখনোই লিখবেন না ৩. পৃথিবীর কোন কিছুই (সাধারনত বেসিক বিষয়) কঠিন না, তাই সেগুলো জানার এবং বুঝার চেষ্টা করুন ৪. সিভিতে বিভিন্ন বা বাহারি রকম ফন্ট ব্যাবহার বন্ধ করুন ৫. বেশি বেশি মোটিভেশনাল স্পিস না শুনে নিজেকে তৈরী করতে বই পড়ুন বা প্রয়োজনীয় বিষয়ে জ্ঞান আহরন করুন ৬. কম্পিউটারের বেসিক প্রোগ্রাম সমুহ অবশ্যই জানতে হবে, না জেনে থাকলে এখন থেকেই রপ্ত করতে শুরু করুন ৭. আজ না কাল থেকে শুরু করবেন এই মনোভাব বদলান কারন সেই কাল আর আসবে না ৮. যতোই সরকারি চাকুরির ইচ্ছে থাকুক না কেন, ৩০ বছর বয়সে এসে আবার যেন কোম্পানির চাকুরি খুজতে না হয় তাই এখনই কোন কোম্পানির চাকুরির জন্য চেষ্টা করুন আর চাকুরির করার সময়ই সরকারি চাকুরির প্রস্তুতি নিন কারন ৯৫% এরই সরকারি চাকুরি হয় না আবার ৩২/৩৫ বছর বয়সে এসে কেউ এন্ট্রি লেভেলে চাকুরিতে নিতে চায় না, আবার দেখবেন সমবয়সী কেউ আপনার বস হয়ে বসে আছে। ৯. মামা-খালু ছাড়াও চাকুরি হয় এই বিষয়টা মাথায় গেথে নিন (নিজের যোগ্যতার উপর ভরশা রাখুন) ১০. কোন কাজেই সট-খাট কোন পথ নাই, কষ্ট করুন ফল পাবেন ১১. যোগাযোগ দক্ষতা বাড়ান ১২. সময়ের সাথে নিজেকে প্রস্তুত করুন, সময়ের থেকে পিছিয়ে গেলেন তো জীবন থেকেও পিছিয়ে গেলেন ১৩. কারো দোষ গুন বিচার না করে নিজের কাজ নিজে করতে থাকুন চলবে………. লেখকঃ শেখ মুজাহি প্রধান, মানব সম্পদ বিভাগ ক্লার্ক এনার্জি বাংলাদেশ লিমিটেড ঢাকা, বাংলাদেশ

একজন Merchandiser / Fresh Merchandiser / asst.manager এর interview এর নমুনা

1.কেমন আছেন

2.কোথায় আছেন

3.সেটা কি knit না Woven

4.আপনি আপনার সম্পর্কে কিছু বলেন .

5.আপনি যে ইউনিভার্সিটি থেকে Bsc করেছেন তাদের রিপুটেশন তো ভালো না .এরা Certificate বিক্রি করে .আপনি কি কিনেছেন না পড়ে পাস করেছেন?
.
6.তাহলে বলেন তো আপনার BSC তে কয় ক্রেডিট .মানে টোটাল কয়টা ক্রেডিট .

7.Merchandising এ কত দিন আছেন.
.
8.এখন পর্যন্ত কোনো Buyer সরাসরি drill করেছেন কি .

9.আমরা যদি আপনাকে নিয়োগ দেই , আপনার face দেখে কোনো Buyer আসবে কি .আমাদের কোম্পানিতে .

10.TNA সমন্ধে কোনো আইডিয়া আছে .

11.Qty- 20000 পিস্ . LC ওপেন Date 20-6-2019 lead time .45 Days .আপনি এইটার একটা TNA den দেখি .

12.কত count এর yarn দিয়ে কতGSM হয় জানেন কি .

13.আপনি ফ্যাব্রিক চিনেন .Card এবং comb কি
single Jersey 160 Gsm .5% Lycra .95 polyster koto count এর yarn lagbe . এই ফ্যাব্রিক বানাতে .

14.fabric এর process loss কি কোন কালারের কত % প্রসেস loss হয় ???

15.sewing thread conjumption জানেন /sewing theead কত প্রকার .

16.sample কত প্রকার ও কিকি .

17.Order confirm হবার পর Buyer কে, কিকি Sample পাঠাতে হয় .

18.Order confirmed হবার পর Knitting শুরু করার আগে Buying house থেকে কিকি পারমিশন নিতে হয় .

19.ফ্যাব্রিকের কিকি Test report Buyer এর কাছে submit করতে হয় .

20.আপনি কি Accessories layout বুজেন

21.PO/pI কি ???

22.আপনি কি accessories বুকিং দিতে পারেন .

23.CTN measurement বের করতে পারেন ./CBM বের করতে পারেন .
24.Gsm -160 fabric with- 60 inch. Fabric length-120 inch.apni yards theke KG তে convert করেন .

25.আবার এটাকে Kg থেকে yards এ converted করেন .

26.production শুরু থেকে closed পযন্ত Buyer কে কি কি
sample দিতে হয় তার নাম বলেন .এবং কখন কিভাবে দিতে হয় তা বর্ণনা করেন .

27.কয়েক টা Test এর নাম বলেন এবং এগুলার কাজ কি বর্ণনা করেন .

28.print strike of কি এর layout সম্পর্কে কিছু বলেন .

29.embodreiry এর stitch সম্পর্কে কোনো আইডিয়া আছে .

30.wash কত প্রকার কি কি বলতে পারবেন .

31.শিপমেন্ট date over হয়ে গিয়েছে .One week extension কিভাবে চাইবেন লিখে দেখান .

32.আপনি কি LG/ IO/LC/C/O বুজেন কোনটার কি কাজ .

33.আরো তো অনেকে interview দিতে এসেছে তাদের থেকে কোনো আমরা আপনাকে নির্বাচন করবো বলেন .

34.যেখানে আছেন ওখান থেকে আসতে চাচ্ছেন কেন .

35.ওদের চাইতে তো আমাদের এখানে বেতন আরো কম .তো কি করবেন ???

36.ওকে ভালো লাগলো আপনার সাথে কথা বলে আমরা আপনার সাথে জোগাজোগ করবো best of luck


Note:: আরো অনেক প্রশ্ন করতে পারে .এই পদের জন্য Textile background/ এবং জেনারেল সবাই apply করতে পারে.

লিখেছেনঃ
হাসান শাহারিয়ার মেহেদী ভাই

চাকরিজীবী নাকি উদ্যোক্তা?

চাকরি শেষে কর্মজীবনের শুরুটা সবার জন্যই খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি সময়। কারণ ক্যারিয়ার কেমন হবে কিংবা কোন পথে যাবে, তা এই সময়ের একটি সিদ্ধান্তের উপরই নির্ভর করে থাকে। ফলে বুঝতেই পারছেন এই সময়ের একটি সিদ্ধান্ত কতটা গুরুত্ব বহন করে। শুধু এ সময়েই নয়, অনেকে আবার চাকরির মাঝপথে হুট করেই চাকরিটা ছেড়ে দিয়ে নিজের একটি ব্যবসায়িক উদ্যোগ শুরু করেন।
ক্যারিয়ার হিসেবে অনেকেই বেছে নেয় পছন্দসই একটি চাকরি। যে বিষয়ে পড়ালেখা করেছে, সে বিষয়ে একটি চাকরি জোগাড় করতেই অধিকাংশ সময়ে ব্যয় করে শিক্ষার্থীরা। বেশিরভাগ শিক্ষার্থীর কাছেই মনে হয় একটি চাকরি মানেই নিশ্চিত ক্যারিয়ার। মাস শেষে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ হাতে পাওয়া এবং নিশ্চিন্ত জীবনযাপন।
অন্যদিকে যারা একটু সাহসী, চ্যালেঞ্জ নিতে ভালোবাসেন, তাদের চিন্তাভাবনা থাকে কিছুটা ভিন্ন ধরনের। তারা বিভিন্ন উদ্যোগের জন্য ঝুঁকি নিতে পছন্দ করেন। যদিও ব্যবসায়িক উদ্যোগে অনেক ঝক্কিঝামেলা থাকে, কিন্তু তাতেও তারা দমে যান না।
কিন্তু আপনার কোন পথে যাওয়া উচিত্?
অন্যের প্রতিষ্ঠানে চাকরি না করে নিজের প্রতিষ্ঠানে নিজে কাজ করার মানে হলো নিজের ক্ষমতায়ন করা। চাকরি করলে আয় সীমিত, কিন্তু নিজের একটি উদ্যোগ থাকলে সেখানে আয়ের সম্ভাবনা থাকে বিপুল। আপনার যখন ইচ্ছা তখন আপনি অফিসে গেলেও আপনাকে জবাবদিহি করতে হবে না। তবে আপনি যদি অন্যের প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন, তখন ঘড়ির কাঁটা ধরে আপনাকে অফিসে হাজির হতে হবে। এদিক সেদিক হলে আবার চাকরিটাই না চলে যায়। তবে সবচেয়ে বড় কথা হলো আপনি যখন অন্যের প্রতিষ্ঠানে কাজ করবেন, তখন আপনাকে কাজটা করতে হবে তার স্বপ্ন বাস্তবায়নে, তার লক্ষ্য অর্জনের জন্য। কিন্তু সেই সুযোগটি ঠিকঠাক কাজে লাগাতে পারলে আপনি নিজের স্বপ্ন নিজেই বাস্তবায়ন করতে পারবেন। আর এ জন্য শুধু দরকার উদ্যোক্তা হওয়ার মতো সাহস, আত্মবিশ্বাস এবং ঝুঁকি নেওয়ার মতো প্রবল ইচ্ছা।
চাকরি করার মানে হলো সারাদিনের অফিস শেষে বাসায় গিয়ে সবার সাথে সময় কাটানো কিংবা মনের সুখে গেমিং কনসোল নিয়ে গেম খেলতে শুরু করা। তবে আপনি যদি উদ্যোক্তা হন, তাহলে এই সময়টুকুও হয়তো মিলবে না। কারণ তখন তো আর ঘড়ি ধরে কাজ করার উপায় থাকবে না। কাজটা যে করতে হবে নিজের জন্য, নিজের লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য। আর তখন ছুটির দিন বলতে কিছু থাকবে না, তা তো আগে থেকেই অনুমেয়। কারণ ঘুমের সময়টুকু ছাড়া বাকি সময়ের পুরোটা জুড়েই আপনার মাথায় নিজের প্রতিষ্ঠান ঘিরেই কিছু ভাবনা ঘুরপাক খেতে থাকবে। আর তা হলো কীভাবে বিক্রি আরও বাড়ানো যেতে পারে, কীভাবে আয় বাড়বে, কী করলে ব্যবসা আরও সম্প্রসারিত হবে। মজার ব্যাপার হলো, আপনি যদি চাকরি করেন, তখন আপনার মাথায় এসব ভাবনা না থাকলেও আপনার বস কিন্তু তখন ঠিক এই চিন্তাগুলোই করছেন।
এ বিষয়ে ক্যারিয়ার বিষয়ক বক্তা ও পরামর্শক অ্যালেক্স পাইরৌজ লিঙ্কডইনে লিখেছেন, ‘আমার অভিজ্ঞতা থেকে আমি দেখেছি যে নিজের ব্যবসা চালানোর কাজটি অনেক কঠিন যেখানে অন্যের প্রতিষ্ঠানে চাকরি করা কিন্তু খুবই সহজ। তবে বিভিন্ন স্টার্টআপগুলো কিন্তু তার উল্টো চিন্তা করে। আপনি যদি মনে করেন যে অন্যের প্রতিষ্ঠানে কাজ করাই আপনার জন্য কঠিন কাজ, তাহলে আপনি নিজের স্টার্টআপ চালু করার জন্য ভাবতে পারেন। তবে এর আগে আপনাকে খুব ভালো করে জানতে হবে একটি প্রতিষ্ঠান কীভাবে চালাতে হয়। এ বিষয়ে সফল ব্যক্তিদের অনেক বই রয়েছে, সাক্ষাত্কার রয়েছে। সেগুলো খুব মনোযোগ দিয়ে পড়ুন এবং এরপর ভেবে দেখুন আপনাকে দিয়ে হবে কি না।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিন গ্রুপের নাম অনেকেই শুনেছেন। এই প্রতিষ্ঠানটির পেছনের কারিগর রিচার্ড ব্রানসন। তিনি একবার তার ব্লগে লিখেছেন, ‘চাকরি ছেড়ে নিজের উদ্যোগ শুরু করাটা অনেকের কাছেই বেশ কঠিন। তবে কিছু কিছু উদ্যোক্তা আছেন যাদের জন্মসূত্রে উদ্যোক্তা বলা যেতে পারে।’ এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘তারা যেকোনো সময় নিজের ব্যবসায়িক উদ্যোগ নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে প্রস্তুত থাকেন। অনেকেই আবার বেশ চাপা স্বভাবের হয়ে থাকেন যাদের এই কাজের জন্য অন্যদের ধাক্কার প্রয়োজন হয়।’
সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্বে
এখানে মজার একটি উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে। ইনোসেন্ট ড্রিঙ্কস নামের একটি পানীয় উত্পাদনকারী প্রতিষ্ঠান বিশ্বের নামকরা সব বিনিয়োগকারীদের নজর কেড়েছে। তাদের শুরুটাও ছিল বেশ ব্যতিক্রমী উপায়ে। ঘটনাটি শোনা যাক প্রতিষ্ঠানটির সহ-প্রতিষ্ঠাতা রিচার্ড রীডের মুখ থেকেই- ‘১৯৯৯ সালের কোনো এক ছুটির দিনে আমরা তিনজন গেলাম একটি মিউজিক ফেস্টিভ্যালে, নিজেদের তৈরি কিছু স্মুদি বিক্রি করার জন্য। সেখানে আমরা একটি বড় সাইনবোর্ড লাগালাম যাতে লেখা ছিল চাকরি ছেড়ে স্মুদি তৈরির কাজে আমাদের মনোনিবেশ করা উচিত্ হবে কি না। এর নিচে ছিল দুটি ঝুড়ি যার একটির গায়ে লেখা ছিল ‘হ্যাঁ’ এবং অপরটির গায়ে লেখা ছিল ‘না’। আমি ক্রেতাদের বললাম স্মুদি খাওয়া শেষে তাদের খালি কাপ ব্যবহার করে ভোট দিতে। দিন শেষে দেখা গেল ‘হ্যাঁ’ লেখা ঝুড়িটি একেবারে পূর্ণ ছিল। আর আমরা তিন বন্ধু পরের দিনই চাকরি ছেড়ে দিয়ে ব্যবসায় মনোযোগ দিলাম।’
এবার আপনার পালা। চাকরি করবেন না চাকরি দেবেন, এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নিজেকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ছুঁড়ে দিন। প্রথমেই চিন্তা করুন আপনি যে পণ্য বা সেবা বিক্রি করবেন, তা নিয়ে আপনি কি উত্সাহী? দ্বিতীয়ত, আপনি ঝুঁকি নিতে কতটা প্রস্তুত আছেন? তৃতীয়ত, আপনি কি সিদ্ধান্ত নিতে পটু? চতুর্থত, আপনি কি অনেকগুলো দায়িত্ব একসাথে পালন করতে পারবেন? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর যদি আপনাকে সন্তুষ্ট করতে পারে, তাহলে নিজের উদ্যোগ নিয়ে কাজ শুরু করার মতো মানসিক প্রস্তুতি আপনার রয়েছে। এবার শুধুই এগিয়ে যাওয়ার পালা।



সূত্র—ইত্তেফাক

এপারেল মার্চেন্ডাইজার, শুরু থেকে শেষ

প্রফেশন: মার্চেন্ডাইজিং
ভার্সিটিতে ভর্তির পর কেউ টার্গেট জিজ্ঞেস করলে টেক্সটাইলের একজন স্টুডেন্ট হিসেবে শুধু একটাই বলতাম যে আমার টার্গেট মার্চেন্ডাইজিং এ জব করবো। কেন করবো নিজের কাছে এ প্রশ্নের উত্তর ছিলো এসি রুমে কাজ করা যায়, নিজের ডেস্ক থাকবে, বায়ারদের সাথে সরাসরি ডিল করা যাবে,ফাইভ স্টার হোটেলে আউটিং, ফরেন ট্যুর থাকবে আরো নানা রঙ্গিন সব কিচ্ছা কাহিনী । যদিও মার্চেন্ডাইজারের প্রকৃত কাজ সম্পর্কে জবে জয়েন করার আগ পর্যন্ত স্বচ্ছ কোন ধারণা ছিলো না ।হয়তোবা আমার মতো যারা এই ট্র্যাকে নতুন আসতে চাও তাদেরও একইরকম ধারণা। তাই চেষ্টা থাকবে এই প্রফেশন সম্পর্কে ছোটখাটো কিছু ধারণা ফ্রেশার ছোট ভাই বোনদের দেওয়ার জন্য।


মার্চেন্ডাইজারের কাজ :
ইংরেজিতে একটি প্রবাদ আছে Jack-of-all-trades, master of none এটা মার্চেন্ডাইজারের বেলায় অতি মাত্রায় প্রযোজ্য।এক্ষেত্রে গুগলিং করে মার্চেন্ডাইজারের নানাবিধ কাজের ফিরিস্তির বর্ণনা পেলেও মার্চেন্ডাইজারের মূল কাজ হলো একটা স্টাইল কিংবা গার্মেন্টসের অর্ডার নেওয়া থেকে শুরু করে শিপমেন্ট পর্যন্ত যাবতীয় কাজ কো -অর্ডিনেট করা।সে অর্থে একজন মার্চেন্ডাইজারকে বায়ার,সাপ্লায়ার, ডিজাইন টিম,স্যাম্পল টিম,এক্সপার্ট ইমপোর্টসহ ফুল কমার্শিয়াল টিম,প্রকিউরমেন্ট টিম,প্রোডাকশন টিম,আই টিম,স্টোর ডিপার্টমেন্ট,ওয়াশিং ডিপার্টমেন্ট,টেস্টিং ল্যাব, ফিনিশিং টিম, কোয়ালিটি সহ সবার সাথে কো – অর্ডিনেট করা লাগে।
ব্যাপারটা একদিকে যেমন চ্যালেঞ্জিং ঠিক অন্যদিকে আবার বৈচিত্রময়ও বটে।তবে দিনশেষে একটা চরম সত্য হচ্ছে একটা স্টাইলের যে কোন প্রবলেমের দায়ভার শেষপর্যন্ত একজন মার্চেন্ডাইজারকেই নিতে হয়।কেননা একটা স্টাইল পরিচিত হয় একটা মার্চেন্ডাইজারের নামে। কোন সমস্যা হলে ফ্যাক্টরি বলবে মার্চেন্ডাইজার কে ,ম্যানেজমেন্ট বলবে মার্চেন্ডাইজার কে? আর ঠিক একারণেই অন্যরা ওভারটাইম করে হলেও নিশ্চিন্তে বাড়ি যেতে পারলেও একজন মার্চেন্ডাইজার কখনো নিশ্চিন্তে বাড়ি যেতে পারে না।আর তাদের নির্দিষ্ট কোন ওয়ার্ক আউয়ার নেই। হতে পারে সকালে এসে সন্ধ্যা ছয়টায় বের হবে অথবা এমনও হতে পারে সেটা রাত বারোটাও বেজে যেতে পারে। একেকটা স্টাইল তাই একেকজন মার্চেন্ডাইজারের কাছে সন্তানতুল্য। দায়িত্বটা খুব বেশি তাই না? তবে বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের সাথে কাজ করার জন্য কিংবা বিভিন্ন মানুষের সাথে কাজ করার সুযোগ থাকার কারণে ব্যাপারটা আসলে বৈচিত্রময়।


মার্চেন্ডাইজারের ক্লাসিফিকেশন :
এবার আসি মার্চেন্ডাইজারের রকমফের নিয়ে। মার্চেন্ডাইজারকে নানাভাবে ক্লাসিফাইড করা যায়। যদি প্রোডাক্টের বিবেচনায় আনি তবে মার্চেন্ডাইজার মুলত তিন প্রকার -ওভেন মার্চেন্ডাইজার,নিট মার্চেন্ডাইজার এবং সোয়েটার মার্চেন্ডাইজার।সাধারণত এক্ষেত্রে খুব বেশি মিক্স আপ হয় না। অর্থাৎ যে ওভেন মার্চেন্ডাইজার সে শুধু ওভেন আইটেম নিয়েই কাজ করে এরকম। তবে ক্ষেত্রবিশেষে ছোট কোম্পানিগুলো এবং বায়িং অফিসে একই মার্চেন্ডাইজারকে একইসাথে ভিন্ন ভিন্ন আইটেম নিয়ে কাজ করতে দেখা যায়।
যদি কাজের ধরণ নিয়ে বলি তবে মার্চেন্ডাইজার দুই প্রকার। ডেভেলপমেন্ট মার্চেন্ডাইজার এবং প্রোডাকশন মার্চেন্ডাইজার।এই ক্লাসিফিকেশন অবশ্য কোম্পানি টু কোম্পানি ভ্যারি করে। যেমন অনেক কোম্পানিতে একজন মার্চেন্ডাইজার একটা অর্ডারের ডেভেলপমেন্ট স্টেজ থেকে শুরু করে পুরো এক্সিকিউশন একাই করে। আবার অনেক জায়গায় ডেভেলপমেন্ট মার্চেন্ডাইজার শুধু ডেভেলপমেন্ট পার্ট দেখে এবং প্রোডাকশন মার্চেন্ডাইজার পুরো এক্সিকিউশন পার্ট দেখে। এছাড়াও কোন কোন কোম্পানিতে ফ্যাক্টরি মার্চেন্ডাইজার দেখা যায়। এরা সাধারনত ফ্যাক্টরিতে বসে এবং এদের কাজ হচ্ছে হেড অফিস থেকে মার্চেন্ডাইজার ডেভেলপমেন্ট,এপ্রোভাল,বুকিং অকে করে দিলে ফ্যাক্টরির সাথে প্রোডাকশন কো অর্ডিনেট করা।
ওয়ার্কপ্লেসের কথা বিবেচনা করলে মার্চেন্ডাইজার আবার দুই প্রকার। ভেন্ডর মার্চেন্ডাইজার(ফ্যাক্টরি বা কোম্পানিতে যেই মার্চেন্ডাইজার থাকে) এবং বায়িং অফিস মার্চেন্ডাইজার।
বায়িং অফিসের মার্চেন্ডাইজিং একটা প্রেস্টিজিয়াস জব যদি সেটা মাল্টিন্যাশনাল বায়িং অফিস কিংবা ভালো কোন লিয়াজোঁ অফিসের হয়। ছোট খাটো বায়িং অফিসে দেখা যায় অর্ডার কম থাকলে কিংবা ছোট খাটো ভুলের কারণে জব চলে যায়।


মার্চেন্ডাইজারের যোগ্যতা :
একটা সময় ছিলো মার্চেন্ডাইজিং প্রফেশনে যে কেউ আসতে পারতেন কিন্তু এখন অধিকাংশ কোম্পানিগুলো টেক্সটাইল ব্যাকগ্রাউন্ড প্রাধান্য দিচ্ছে। তাই বলে যে অন্য ব্যাকগ্রাউন্ড একেবারেই নিচ্ছে না তা নয়। মার্চেন্ডাইজিং এ আসার জন্য দুইটা জিনিস থাকাটা অত্যাবশ্যক। একটি হচ্ছে ইংরেজীতে দক্ষতা এবং দ্বিতীয়টি হলো মাইক্রোসফট এক্সেলের কাজ জানাটা। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে যদিও শিক্ষার মাধ্যম ইংরেজী থাকে কিন্তু অধিকাংশ ক্লাসই সহজে বোধগম্যতার কারনে বাংলায় নেওয়া হয়।
যার ফলে দেখা যায় Engish এ Communication এ আমাদের একটা জড়তা আবার অনেকের ক্ষেত্রে বেশ কিছু দূর্বলতা থেকে যায়। আর এক্সেলের কোন কাজ না থাকার কারণে আমরা এটা সম্পর্কে একদমই ওয়াকিবহাল না। সেজন্য ফ্রেশার যারা মাইক্রোসফট এক্সেল পারো না তারা এখনই শিখে নাও। ব্যাপারটা খুবই সহজ। Youtube এ বাংলায় এক্সেলের ভিডিও টিউটোরিয়াল পাওয়া যায়।সেখান থেকে মনোযোগ দিয়ে কয়েকদিন প্র্যাকটিস করলেই এক্সেলের বেসিকটুকু আয়ত্ব হয়ে যাবে l আর ইংরেজির ব্যাপারে নিজে থেকে ট্রাই করো নিয়মিত ইংরেজি পত্রিকা পড়ার এবং অন্যান্য চর্চা চালিয়ে যাওয়ার।


মার্চেন্ডাইজারের কাজ
একজন মার্চেন্ডাইজারের কাজ এক কথায় বলে শেষ করা সম্ভব নয়।একটা অর্ডার নেওয়া থেকে শুরু করে শিপমেন্ট পর্যন্ত পুরো ব্যাপারটা Handle করে একজন মার্চেন্ডাইজার। স্যাম্পলিং ডিপার্টমেন্ট শুধু স্যাম্পলিং দেখে, প্রোডাকশন টিম শুধু প্রোডাকশন ইস্যু দেখে, কোয়ালিটি টিম শুধু কোয়ালিটি ইস্যু দেখে, ওয়াশিং ডিপার্টমেন্ট শুধু ওয়াশিং ইস্যু দেখে,কমার্শিয়াল ডিপার্টমেন্ট শুধু কমার্শিয়াল ইস্যু দেখে – কিন্তু একজন মার্চেন্ডাইজারকে প্রতিটি ডিপার্টমেন্টের সাথে কাজ করা লাগে। আর এইজন্যই মার্চেন্ডাইজারের নির্দিষ্ট কোন Work Hour নেই, ছুটির কোন ঠিক ঠিকানা নেই। তারপরও আমাদের অনেকের ড্রিম জব হচ্ছে মার্চেন্ডাইজিং। কারন Diversity আর নিজেকে Prove করার অসাধারণ সব সুযোগের কারণে আমরা এই প্রফেশনে আসতে চাই।অন্য পর্বে মার্চেন্ডাইজারের সুবিধা সম্পর্কে জানবো। আসুন আজকে কথা না বাড়িয়ে এক ঝলকে মার্চেন্ডাইজারের কাজ দেখে আসা যাক –
১) বায়ারের সাথে যোগাযোগ Communication with buyer:
আপনার কোম্পানি যদি কোন Established Buyer এর সাথে আগে থেকে কাজ করে থাকে তবে সেক্ষেত্রে দেখা যাবে বিভিন্ন Season ( বাংলাদেশী ঋতু না আবার 😉 , বায়ারের কান্ট্রি অনুযায়ী) এর শুরুতে তারা আপনাকে একটা Style এর Sketch, trim sheet , measurement sheet mail এ পাঠাবে। আপনার প্রাথমিক কাজ হবে File গুলো পাওয়ার পর এর খুটিনাটি Analysis করে Buyer এর কাছ থেকে সব বিষয়ের Clarification নিয়ে নেওয়া যাতে করে আপনি তাকে পরবর্তীতে নিখুঁতভাবে Costing এবং তাদের Expectation অনুযায়ী Development Sample পাঠাতে পারেন।


২) সাপ্লায়ারদের সাথে যোগাযোগ Communication with suppliers:
বায়ারের কাছ থেকে সব Clarifications নেওয়ার পর আপনার কাজ হবে Fabrics & Trims এর সাপ্লায়ারদের কাছ থেকে Trim sheet অনুযায়ী সবকিছুর Price জেনে নেওয়া এবং Development Sample বানানোর জন্য প্রয়োজনীয় Sample yardage & trims collect করা। পাশাপাশি এসব কিছুর Production Lead Time জেনে নেওয়া।


৩) দাম প্রস্তুতকরণ এবং সময় অনুযায়ী কর্মতালিকা প্রনয়ণ Costing & TNA :
সাপ্লায়ারদের কাছ থেকে Price & Production Lead Time জেনে নেওয়ার পর আপনার কাজ হবে সে অনুযায়ী Costing & TNA (Time & Action Calendar) ready করে বায়ারকে mail এ পাঠানো। এক্ষেত্রে আপনাকে Fabric & Trims এর Price এর পাশাপাশি Fabric Consumption, CM (Cost of making) Cost, Wash Cost, Lab test Cost, Commercial Cost, Shipping cost সহ আনুষঙ্গিক Cost Consider করা লাগবে।


৪) স্যাম্পল প্রস্তুতকরণ Sample Development :
Costing ready করার পাশাপাশি আপনাকে বায়ারের কাছ থেকে প্রাপ্ত Sketch & trim sheet অনুযায়ী Sample বানাতে হবে। শুরুতে আপনাকে Proto/Development Sample বানাতে হবে। এরপর বায়ারের Comments & Requirements অনুযায়ী Color run/Wash down সহ অন্যান্য Sample বানাতে এবং পাঠাতে হবে। অন্য পর্বে বিভিন্ন প্রকার Sample সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করবো।


৫) ফেব্রিক এন্ড ট্রিমস বুকিং Fabric & Trims Booking :
Costing and development sample পাঠানোর পর যদি আপনার Quoted Costing/Price বায়ারের Target Price এর সাথে মিলে যায় এবং আপনার পাঠানো Development Sample এর Workmanship Satisfactory হয় সেক্ষেত্রে বায়ার আপনাকে Order Confirm করবে। Order Confirmation পাওয়ার পর আপনার প্রথম কাজ হবে ফেব্রিক বুকিং দেওয়া। তার পাশাপাশি আপনাকে বিভিন্ন ট্রিমস এর Approval নিয়ে অথবা ট্রিমশিট অনুযায়ী বিভিন্ন ট্রিমসের বুকিং দিতে হবে।


৬) স্যাম্পল সাবমিশন Submission of various types of samples:
Order Confirmation এর পর আপনাকে বিভিন্ন বায়ারের Requirements অনুযায়ী বিভিন্ন রকম স্যাম্পল যেমন Fit Sample/Wash Down Sample/Marketing Sample ইত্যাদি পাঠাতে হবে। বিভিন্ন রকম স্যাম্পল নিয়ে আমরা অন্যদিন আলোচনা করবো।


৭) সাপ্লাই চেইন এন্ড কমার্শিয়াল এক্টিভিটিজ ফলো আপ Supply Chain and Commercial Activities Follow Up :
Merchandising is all about follow up। একজন ভালো মার্চেন্ডাইজার হতে হলে আপনাকে Follow Up এর পাশাপাশি একজন Good Planner হতে হবে এবং সবকিছু Manage করার মতো Capability থাকা লাগবে। যাহোক অনেক কোম্পানিতে Supply Chain Department নামে আলাদা ডিপার্টমেন্ট থাকে যারা মার্চেন্ডাইজার বুকিং দেওয়ার পর Commercial Activities & Material Inhouse এর কাজটা তারা করে। কিন্তু আপনি যদি হামীমের মতো ইডেন গার্ডেনে আসেন তাহলে এই গুরু দায়িত্বটা আপনাকে অর্থাৎ মার্চেন্ডাইজারকে করা লাগবে।
যদিও L/C draft, Shipping Docs Endorsement, ব্যাংকে দৌড়াদৌড়ির কাজটা তারা করবে কিন্তু সাপ্লায়ারের কাছ থেকে Proforma Invoice নেওয়া, L/C Opening এর জন্য Commercial Dept. এ Submit করা, সাপ্লায়ারের কাছে L/C Forward, Utilization Declaration (UD) র প্রয়োজনীয় Docs দেওয়া, Shipping /Airway docs নেওয়া, ক্ষেত্রবিশেষে ঠিকমতো Goods Ctg Sea Port/Dhaka Air Port/Benapole Port এ আসছে কিনা, Berthing/Unstuffing হয়েছে কিনা, C&F Agent এর কাছ থেকে আপনার কোম্পানির Agent Delivery Order নিয়েছে কিনা, Goods আপনার কোম্পানির কার্গোতে Load হয়েছে কিনা, Factory তে ঠিকমতো আসলো কিনা, আবার আসার পর সব Goods ঠিকমতো এসেছে কিনা এগুলা সব Follow Up আপনাকে করতে হবে।


৮) প্রোডাকশন ফলো আপ Production Follow Up:
এতোক্ষণ উপরে হালকার উপর ঝাপসা যা বললাম তা হচ্ছে Pre-Production Activities। এবার আসেন Production নিয়ে কিছু বলি।ধরেন বহু কাঠ খড় পুড়ায় বায়ারের হাতে পায়ে চুমা দিয়ে আপনি Production এর জন্য সব ধরনের Sample Approve করাইছেন সাথে সব Materials ঠিক সময়ে ফ্যাক্টরিতে এনে দিয়েছেন তাতেই কি আপনার কাজ শেষ। জ্বি না! খেল তো মাত্র শুরু। Production যদি ঠিকমতো না হয়, Shipment যদি সঠিক সংখ্যায় সঠিক সময়ে না যায় তবে আপনার সব Performance Zero। শুধু Zero না মস্ত বড় একটা Zero। তাই Production ঠিকমতো চালানোর জন্য PP meeting, Vessel Booking, Daily Sewing ঠিকমতো হচ্ছে কিনা, Washing Plant এ ঠিকমতো ওয়াশ হচ্ছে কিনা, আবার ওয়াশ থেকে এসে Finishing হচ্ছে কিনা, Garment Lab Test এর জন্য Submission, কখন Final Inspection Offer করা হচ্ছে, তার আগে সবকিছু ঠিকমতো Ready হয়েছে কিনা এগুলা সব একজন আদর্শ মার্চেন্ডাইজারকে Follow Up করা লাগে।


এতোক্ষন উপরে যা বললাম তা হচ্ছে আপনাদের স্রেফ একটা ধারনা দেওয়ার জন্য। এর বাহিরে যে আরো কত কাজ থাকে তা বলার বাহিরে।এই সেক্টরে যে যেই ডিপার্টমেন্টে কাজ করে তাকে তার Specific কাজের জন্য Tension করা লাগে। কিন্তু একজন মার্চেন্ডাইজারকে সবকিছু নিয়ে Tension করা লাগে, সব Department এর সাথে কাজ করা লাগে। অন্যান্য জবে কিছু Limited কাজ করা লাগে কিন্তু মার্চেন্ডাইজিং এ আপনাকে সবকিছু মাথায় নিয়ে সারাদিন পার করা লাগে। এই Profession এতো এতো কাজ আর কাজের Variety থাকার কারণে এই Profession একই সাথে Challenging & Difficult।
যারা মার্চেন্ডাইজিং এ আসতে চান তারা আগে ভাবুন আপনি কি আসলেই এতো এতো কাজ করতে পারবেন,এতো এতো Pressure নিতে পারবেন ? যদি মনে হয় পারবেন তবেই আসুন। আমি কাউকে নিরুৎসাহিত করছি না। শুধু একটা বাস্তব প্রেক্ষাপট আপনাদের সামনে তুলে ধরছি মাত্র। তবে আরেকটা কথা বলে রাখছি এতো এতো Challenge নিয়েও যারা ভালো করছে তারাই কিন্তু আজ USA কাল UK কিংবা পরশু ইউরোপের কোন Country তে ঘুরে বেড়াচ্ছে 🙂
মার্চেন্ডাইজিং এ যেই শব্দটা সবচেয়ে বেশিবার শুনবেন তা হচ্ছে Sample। কারণে অকারণে ইচ্ছায় অনিচ্ছায় আপনার চারপাশে এই শব্দটাই সারাক্ষণ ঘুরবে আর তার সাথে সাথে আপনাকে ব্যতিব্যস্ত রাখবে। আর ট্রেইনিদের ক্ষেত্রে সর্বপ্রথম যেই Responsibility বর্তায় তা হচ্ছে Sample Follow Up. আসুন জেনে নেওয়া যাক Sample কি আর Sample কত প্রকার হতে পারে।
খাটিঁ বাংলা ভাষায় স্যাম্পল মানে হচ্ছে নমুনা। অর্থাৎ বড় কোন অংশের Miniature Version অথবা কোন অংশবিশেষ হচ্ছে স্যাম্পল।স্যাম্পলের পুথিগত কোন সংজ্ঞা আমার জানা নেই। আমার মতে কোন একটা গার্মেন্টের সরাসরি বৃহৎ উৎপাদনে (Bulk Production) যাওয়ার আগে বিভিন্ন বায়ারের বিভিন্ন চাহিদা অনুযায়ী নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে যে সকল নমুনা গার্মেন্ট বায়ারের অনুমোদনের (Approval এর) জন্য বানানো এবং পাঠানো হয় তাকে স্যাম্পল বলে। বায়ার এমনি এমনি আপনাকে কোন একটা অর্ডার Confirm করবে না। Order Confirm হওয়ার আগে এবং পরে নির্দিষ্ট কয়েক প্রকার স্যাম্পল বায়ার কর্তৃক Approve হলেই আপনি Bulk Production করতে পারবেন এবং গার্মেন্টস Shipment করতে পারবেন। আগেই বলেছি বিভিন্ন বায়ারের Requirements অনুযায়ী স্যাম্পল অনেক প্রকার হতে পারে। তার মাঝ থেকে আসুন কিছু Common Sample সম্পর্কে জেনে নেই –


১) Proto/Development Sample :
যে কোন নতুন Style এর Development আসলে বায়ার ঐ Style এর Sketch, measurements sheet & Trim sheet /BOM(Bills of Material) দেয়।সে অনুযায়ী প্রথম যেই স্যাম্পল পাঠানো হয় তাকে Proto/Development Sample বলে। এই স্যাম্পলের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে Garments এর Styling এবং তার পাশাপাশি যেই Vendor কে এই Development দেওয়া হলো তাদের Workmanship অর্থাৎ তারা আসলে কতটুকু ভালোভাবে গার্মেন্ট Sewing এবং Wash করতে পারে তা দেখা। এই স্যাম্পলের উপর ভিত্তি করে বায়ার Comment করে এবং সেই অনুযায়ী পরবর্তীতে আবার স্যাম্পল পাঠাতে হয়।


২) Wash Down Sample:
এই স্যাম্পলের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে গার্মেন্টের ওয়াশ দেখা। বিশেহ করে ডেনিমের ক্ষেত্রে বায়ার একই রকম ফ্যাব্রিকের উপর বিভিন্ন রকম ওয়াশ দেখতে চায়।সেজন্যই এই স্যাম্পল বানানো হয়।


৩)Fit Sample:
নাম শুনেই অনেকটা বুঝা যাচ্ছে এই স্যাম্পলের কাজ কি হতে পারে । এই স্যাম্পলের কাজ হচ্ছে গার্মেন্টের Fit Approval নেওয়া অর্থাৎ গার্মেন্টটা ঠিকমতো ফিটিং অনুযায়ী বানানো হচ্ছে কিনা তা চেক করা। একটা স্টাইলে অনেকগুলো সাইজ থাকে। সব সাইজের জন্য ফিট স্যাম্পল বানাতে হয় না। এক্ষত্রে নির্দিষ্ট একটি কিংবা দুইটি সাইজের স্যাম্পল বানিয়ে বায়ারে কাছ থেকে এপ্রোভাল নেওয়া লাগে।আর ফিট স্যাম্পল এপ্রোভড হয়ে গেলে সে অনুযায়ী গ্রেডিং করে বাকি স্যাম্পলগুলোর ফিটিং ঠিক করা হয়।


৪)Advertising Sample:
সাধারনত একটা স্টাইল মার্কেটে আসার দুই-আড়াইমা আগে থেকেই বায়ার তাদের ওয়েবসাইটে এবং অনলাইন শপগুলোতে সে স্টাইলের promotion করে। এগুলো সাধারনত মডেলরা পরে Photoshoot করে।


৫) SMS Sample (Sales Man Sample):
এই স্যাম্পলগুলোও Promotional Purpose এ করা হয়। তবে এক্ষত্রে যা করা হয় তা করা হচ্ছে অর্ডার কনফার্ম করার আগে বিভিন্ন স্টাইলের স্যাম্পল বায়ার তাদের স্টোরগুলোতে প্রেজেন্ট করে কাস্টমারদের Feedback যাচাই করে এবং সে অনুযায়ী ভালো Feedback পাওয়া স্টাইলগুলোর অর্ডার কনফার্ম করে।


৬) PP(Pre-Production) Sample:
কোন একটা স্টাইলের প্রডাকশন শুরু হওয়ার আগে ফিট এপ্রোভড পাওয়া মেজারমেন্ট দিয়ে এপ্রোভাল পাওয়া এবং বুকিং দিয়ে আনানো ফেব্রিক এবং ট্রিমস দিয়ে স্যাম্পল Make করে Approve Wash Down স্যাম্পল অনুযায়ী ওয়াশ করে যে স্যাম্পল এপ্রোভালের জন্য বানানো হয় তাকে PP Sample বলে । এই স্যাম্পল বানানোর উদ্দেশ্য হচ্ছে এটা নিশ্চিত হওয়া যে Bulk production এ সবকিছু বায়ারের অনুযায়ী হবে।


৭)Size Set Sample:
এই স্যাম্পল সাধারনত PP Sample Approved হওয়ার পর এবং Bulk Cutting শুরু করার আগে বানানো হয়। যেহেতু শুধু নির্দিষ্ট দুই একটা সাইজের উপর করা হয় তাই সব সাইজের মেজারমেন্ট ঠিক আছে কিনা তা চেক করার জন্য সব সাইজের স্যাম্পল বানিয়ে মেজারমেন্ট এবং প্যাটার্ন Ajustment Check করা হয়।


৮)TOP(Top of The Production) Sample:
প্রডাকশন শুর করার পর সবকিছু ঠিকঠাক আছে কিনা তা চেক করার জন্য বায়ার যেই স্যাম্পল চায় তাকে বলে।এটা সাধারণত শুরু হউয়ার কয়েক দিনের মাঝেই বায়ারের কাছে পাঠানো হয়।


৯) GPT (Garment Package Test) Sample:
যে কোন বায়ারেরই Order Shipment করার আগে International Third Party Testing Lab এ Bulk Production থেকে কিছু স্যাম্পল এনে আগে টেস্ট করে চেক করে নেওয়া হয় যে যেই Garment Shipment করা হবে তা আসলে Physical Strength, Chemical Behavior, Safety এবং যেই দেশে করা হবে সেদেশের ল এবং সেই বায়ারের বিভিন্ন প্যারামিটার অনুযায়ী ঠিক আছে কিনা। একে GPT Sample বলে।
এছাড়াও আরো বিভিন্ন বায়ারের Requirement অনুযায়ী বিভিন্ন নামে বিভিন্ন প্রকার স্যাম্পল আছে।
আজ এ পর্যন্তই ।তবে এ যাওয়াই শেষ নয়। সামনে ইনশা’আল্লাহ দেখা হবে নতুন কোন পর্ব নিয়ে আপনাদের মাঝে। তার আগ পর্যন্ত ভালো থাকুন।


Asif Bin Asgar
Merchandiser,
Ha-Meem Group,
Ex Student
Dept. of Textile Engg, MBSTU
আসিফ বিন আসগর
মার্চেন্ডাইজিং ডিপার্টমেন্ট, হামীম গ্রুপ
এক্স টেক্সটাইল স্টুডেন্ট, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়


চাকরির প্রথম দিন ? যা করা উচিত এবং যা করা উচিত না


অফিসের প্রথম দিন মানেই অন্যরকম। সকলের কাছেই দিনটি গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রথম দিনে অফিসে সকলের সামনে নিজের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার চেষ্টা করুন। নতুন চাকরি, নতুন স্থান, নতুন সহকর্মী- সব মিলিয়ে চাকরির প্রথম দিনটির জন্য একটু বাড়তি প্রস্তুতি নেওয়া বুদ্ধিমানের। এমন কোনো কাজ করবেন না, যা অফিসে আপনার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে।

  •  দেরি করবেন না

প্রথম দিন অফিসের নির্দিষ্ট সময়ের কিছুক্ষণ আগে আসার চেষ্টা করুন। প্রথম দিনেই যদি দেরি করেন তাহলে বস ও সহকর্মীর কাছে আপনার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হবে।

  • আগের অফিস নিয়ে কথা বলবেন না

 আগের চাকরির সঙ্গে বর্তমান চাকরির পার্থক্য থাকতে পারে। আগের অফিস নিয়ে কথা বললে ভুলবশত অনেক নেতিবাচক কথা বলে ফেলতে পারেন। আপনার বর্তমান সহকর্মীরা বিষয়টিকে ভাল চোখে নাও দেখতে পারে।

  • নোট রাখুন

অফিসের প্রথম দিনে নতুন সহকর্মীদের সকলের নাম মনে রাখা সম্ভব নয়। এ নিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতিতেও পড়তে পারেন। তাই নোট লিখে রাখতে পারেন সবার নাম। এ ছাড়া আপনাকে যেসব কাজ দেওয়া হবে, সেগুলো নোট করে রাখুন। এতে কাজগুলো ভুলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।

  • শারীরিক ভঙ্গি ঠিক রাখুন

চাকরির সাক্ষাৎকারের সময় শারীরিক ভঙ্গির গুরুত্বের কথা কারো অজানা নয়। চাকরির প্রথম দিনও এটি সমান গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম দিন সকলের সঙ্গে মুখে হাসি রেখে কথা বলুন। গম্ভীর মুখে থাকবেন না। মনে রাখবেন, হাসিখুশি মানুষকে সবাই পছন্দ করে।

  • ইতিবাচক থাকুন এবং আগ্রহ দেখান

নতুন অফিসে কাজ শুরু করার সময় অবশ্যই সেখানকার নিয়মের সঙ্গে মানিয়ে নিতে কিছুটা সময় লাগবে। তাই অফিসের নিয়মের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব দেখান। সবকিছু নতুনহলেও কাজের প্রতি নিজের আগ্রহ তুলে ধরুন।

  • সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে সতর্কতা

অফিসের প্রথম দিন মনের অবস্থা অন্যরকম থাকাটাই স্বাভাবিক। আপনি যদি নার্ভাস হয়ে থাকেন কিংবা, কোনো সমস্যার মুখোমুখি হন তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে পোস্ট করবেন না। কেননা আপনার বস কিংবা সহকর্মী তা দেখতে পারলে আপনার প্রতি তাদের নেতিবাচক ধারণা জন্মাতে পারে।

এল সি কি? কিভাবে এল সি করবো? ইমপোর্ট এক্সপোর্ট করার সঠিক নিয়ম ?

লেটার অব ক্রেডিট বা এল সিঃ
রপ্তানিকারকের রপ্তানি করা পণ্যের মুল্য প্রাপ্তির নিশ্চয়তার লক্ষে আমদানিকারকের পক্ষ নিয়ে ব্যংক যে প্রত্যয়ন পত্র দেয় তাকেই এল সি বলা হয় । ব্যাংক আমদানিকারকের পক্ষে রপ্তানিকারককে এই মর্মে নিশ্চয়তা প্রদান করে যে , আমদানিকারক কোন কারনে পণ্যের মূল্য পরিশোদ করতে অস্বীকার করলে উক্ত ব্যাংক রপ্তানিকারককে সেই পণ্যের মূল্য পরিশোদ করবে বা করতে বাধ্য থাকবে । এল সির মাধ্যমে রপ্তানিকারক যেমন তার পণ্যের মুল্য প্রাপ্তি সম্পর্কে নিশ্চিত হয় তেমনি আমদানীকারক এল সি’র বিপরিতে ব্যাংক থেকে ঋণ সুবিধাও পায় । ব্যাংকের মাধ্যমে পণ্য প্রাপ্তির পর রপ্তানিকারক মুল্য পরিশোদ করার সুযোগ পায় ।


আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা ইমপোর্ট এর ব্যবসা করতে চান এবং এ বেপারে তথ্য পাওয়ার জন্য নানন জায়গায় ঘোরাঘুরি করেন, তাদের জন্যই আজকে আমাদের এই পোস্ট। আপনাদের জন্য এই পোস্ট টি লিখেছেন আমাদের স্রদ্ধের বড় ভাই “মাহমুদ হাসান খান” তার হয়ে আমি আপনাদের কাছে এই পোস্টটি তুলে ধরছি।
আসলে ইমপোর্ট বলতে এক দেশ থেকে অন্য দেশে পণ্য আমদানী করা কে বুঝে থাকি, আর এই ইমপোর্ট করার জন্য আপনাকে এলসি বা  (লেটার অব ক্রেডিট) যেটিকে ইতালিয়ান ভাষায় বলে লেত্তেরা দি ক্রেদিতো, করতে হবে। তাহলে আসুন দেখে নেই কিভাবে এই এলসি করা হয়।
এলসি করতে হলে সবার আগে আপনার কোম্পানীর টিন ভ্যাট করাতে হবে। এরপর ব্যাংকে গিয়ে কোম্পানীর নামে একাউন্ড খুলতে হবে। তারপর ব্যাংক থেক এলসিএ ফর্ম কালেক্ট করে ফিলাপ করে ব্যাংক এ জমা দিতে হবে। এখানে কিছু ইনফো লাগবে (যেমন : কি পন্য, দাম কত, কোন দেশ থেকে আসবে এসব)। আমি নীচে ধারাবাহিকভাবে দিচ্ছি আরো বিস্তারিত :
কিভাবে এলসি করতে হয় এ বিষয়ে নিচে বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করা হোলঃ
পর্যায় ১: কোম্পানীর ট্রেড লাইসেন্স, টিন, ভ্যাট করা। আইআর সি (ইমপোর্ট রেজি: সার্টিফিকেট) করা।
পর্যায় ২: কোন ব্যাংক এ কোম্পানীর একাউন্ট করা।
পর্যায় ৩: যে পন্য আনবেন তার ইনডেন্ট কালেক্ট করা (ধরা যাক আপনি ১৫ টন নিউজপ্রিন্ট কাগজ আনবেন চাইনা থেকে। এখন যে কোম্পানী থেকে আনবেন সে কোম্পানীর বাংলাদেশ প্রতিনিধির কাছে গিয়ে দাম দর ঠিক করে একটা ডকুমেন্ট নেবেন। এটাই ইনডেন্ট। আর সে কোম্পানীর যদি বাংলাদেশ প্রতিনিধি না থাকে তাহলে সে কোম্পানীতে সরাসরি মেইল করে দাম ঠিক করে ডকুমেন্ট আনাতে হবে। তখন এটাকে বলা হয় পি আই বা প্রফরমা ইনভয়েস। এতে পণ্যের বিস্তারিত, দাম, পোর্ট অব শিপমেন্ট এসব তথ্যাদি থাকে।)আপনাদের জন্য নিচে একটি ছবি দিয়ে দেওয়া হল।
পর্যায় ৪: ব্যাংক থেকে এলসিএ (লেটার অব ক্রেডিট এপ্লিকেশন) ফর্ম কালেক্ট করে ইনডেন্ট/পিআই অনুযায়ী তা পূরন করে ব্যাংক এ জমা দেয়া।
পর্যায় ৫: এলসি মার্জিন জমা দেয়া । প্রথম দিকে ব্যাংক এ পুরো টাকাটাই জমা দিতে হবে। ধরা যাক এলসি ভ্যালু ২০,০০০ ডলার। ব্যাংক এ আপনাকে ১৬ লাখ টাকা জমা দিতে হবে। তবে আস্তে আস্তে ব্যাংকের সাথে ব্যবসা বাড়লে তখন ১০-২০% মার্জিন দিয়ে এলসি খুলতে হবে। টাকার সাথে অন্যান্য কিছু ডকুমেন্টও দিতে হবে। যেমন:
আপনার কোম্পানীর সব কাগজ (ট্রেড লাইসেন্স, টিন, ভ্রাট, আইআরসি)
ইনডেন্ট/পিআই এর ৩/৪ টি কপি।
সাপ্লায়ার কোম্পানীর ব্যাংক ক্রেডিট রিপোর্ট
ইন্সুরেন্স কভার নোট (যে কোন ইন্সুরেন্স কোম্পানীতে ইনডেন্ট দেখিয়ে ফি দিয়ে এটা নিত হবে)
এরপর ব্যাংক আপনাকে এলসির একটা কপি দেবে। অরিজিনালটা পাঠিয়ে দেবে বিদেশে সাপ্লাইয়ারের কাছে।
ব্যাক টু ব্যাক এল সিঃ
প্রয়োজন ও পণ্যের ধরণের বিবেচনায় এল সি পদ্ধতির ভিন্নতা রয়েছে । বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের আমদানী ও রপ্তানির কাজ ব্যাক টু ব্যাক এল সির মাধ্যমে হয় । সহজ কথায় ব্যাক টু ব্যাক এল সি রপ্তানিকারকের অনুকূল পদ্ধতি ।  রপ্তানিকারকের মূলধনের পরিমান যখন কোন একটি পণ্য সরবাহের জন্য যথেষ্ট থাকে না, সে ক্ষেত্রে ব্যাক টু ব্যাক এল সি ইস্যু করা হয় । রপ্তানি পণ্য উৎপাদনের প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহের জন্য রপ্তানি এলসির সহায়ক জামানত হিসেবে রেখে Advising Bank কে বা ব্রোকারের দেশীয় কোন ব্যাংক পণ্যের মুল-সরবরাহকারীর অনুকূলে যে আর একটি এল সি ইস্যু করে ।
প্রথম এলসির প্রায় সব শর্তাবলী হুবুহু দ্বিতীয় এলসি তে অন্তর্ভুক্ত করা হয় । তবে এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট ফান্ড স্কিম(ই ডি এফ এস) এর অধীনে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে অর্থায়নের ব্যবস্থা আছে । যাকে At sight back to back L/C বলে । দেশের রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষে রপ্তানি সহায়তা (export incentive) হিসেবে বাংলাদেশ সরকার রপ্তানিকারকদের ই ডি এফ সুবিধা প্রদান করে ।
এই সুবিধার আওতায় রপ্তানিকারক বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থায়নে রপ্তানির বিপরীতে বিদেশ থেকে কাঁচামাল আমদানী করতে পারে । সেক্ষেত্রে আমদানিকারকদের ঋণ গ্রহনের তারিখ হতে ১৮০ দিনের মধ্যে (অনুরোধে ২৭০) ১ % বাড়টি হারে গৃহীত ঋণের টাকা পরিশোদ করতে হয়। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক উৎপাদন ও রপ্তানিকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যাক টু ব্যাক এল সির মাধ্যমে পোশাক তৈরির উপকরণাদি সংগ্রহ করে থাকে। রপ্তানিকারকদের বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ মোতাবেক ব্যাক টু ব্যাক এলসি খুলতে হয় ।
উদাহরন স্বরূপ ভাবা যাক আইভোরি কোস্ট এর কোন ফার্ম “এ” তুলা রপ্তানি করতে আগ্রহী । ভারতীয় কোন সমন্বয়কারী প্রতিষ্ঠান বা ব্রোকার “বি” বাংলাদেশের স্পিনিং কোম্পানি “সি” সম্পর্কে অবহিত যারা তুলা ক্রয় করতে ইচ্ছুক । কিন্তু সি কোম্পানির কাছে তূলার মূল্যের পুরো টাকা নেই । কোম্পানি “এ” বিক্রি করতে আগ্রহী কিন্তু,  ঝুকি নিতে নিতে নয় ।

এ অবস্থায় ব্যাক টু ব্যাক এল সি লেনদেনকে ঝুকিহীন করাতে সাহায্য করবে । “সি” কোম্পানি, ব্রোকার “বি” কে সাথে নিয়ে বাংলাদেশের কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠান(ব্যাংক) এর কাছে যাবে এল সি’র জন্য । ব্রোকার “বি” ঐ এল সি কে কাজে লাগিয়ে তার কোন পরিচিত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে যাবে ২য় এল সি টির জন্য, যাকে কোম্পানি “এ” এর কাছে ইস্যু করার যাবে ।
কোম্পানি “এ” এর কাছে এলসি পৌঁছানোর সাথে সাথে সে তার তুলা জাহাজীকরণ করবে, এই জেনে যে তুলা পৌঁছালে জার্মান ব্যাংক পুরো পেইমেন্ট করবে । এভাবে বাংলাদেশের একটি পোশাক রপ্তানিকারন টেক্সটাইল কোম্পানি ব্যাক টু ব্যাক এল সির দ্বারা কম মূলধন নিয়েও তার উৎপাদন কাজ শুরু করতে পারে ।
ব্যাংকে এল.সি করার সঠিক নিয়মঃ


এলসি করতে কম্পানির ট্রেড লাইসেন্স, টিন নম্বর লাগে। কম্পানির নামে খুলতে হয় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট। ব্যাংক থেকে এলসির ফরম নিয়ে পূরণ করে জমা দিতে হবে। কোন পণ্য আনা হবে, দাম কত, কোন দেশ থেকে আসবে- দিতে হবে এসব তথ্য। ব্যবসায়ী আতিকুর রহমান বলেন, ‘এলসি করার জন্য যেসব পণ্য আনা হবে তার তালিকা (ইনডেন্ট) করতে হবে প্রথমে। দেশটির বাংলাদেশ প্রতিনিধির কাছ থেকে পণ্যের মূল্য নির্ধারণ করে আনতে হবে ডকুমেন্ট। যদি সে দেশে প্রতিনিধি না থাকে, তবে কম্পানিতে মেইল করে দাম ঠিক করে ডকুমেন্ট আনাতে হবে। এতে পণ্যের বিস্তারিত বিবরণ, পণ্যের মূল্য, পোর্ট অব শিপমেন্ট- এসব তথ্য থাকে।’ প্রয়োজন দরকারি সব তথ্য শুরুতে ব্যাংক থেকে এলসির (লেটার অব ক্রেডিট) আবেদন ফরম সংগ্রহ করে ইনডেন্ট অনুযায়ী পূরণ করে জমা দিতে হবে। ফরমের সঙ্গে লাগবে আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (টিন), ইমপোর্ট রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট (আইআরসি), ইনডেন্ট, কম্পানির ব্যাংক ক্রেডিট রিপোর্ট, ইনস্যুরেন্সের কাগজপত্র। টাকা জমা দেওয়ার পর ব্যাংক এলসির একটা কপি দেবে এবং আসলটা পাঠিয়ে দেওয়া হবে বিদেশি সরবরাহকারীর কাছে। আইআরসি করতে আইআরসির জন্য মতিঝিলের এক্সপোর্ট ও ইমপোর্ট বিভাগের প্রধান নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় থেকে ফরম নিতে হয়। এ সময় জমা দিতে হয় কম্পানির ট্রেড লাইসেন্স, টিন, ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও নির্ধারিত ফি। নিরাপত্তা দেবে এলসি অর্থের নিরাপত্তার জন্য চালু আছে প্রি-শিপমেন্ট ইন্সপেকশন (পিএসআই) প্রক্রিয়া। এ ক্ষেত্রে ব্যাংক ১ শতাংশ টাকা কেটে পিএসআই কম্পানিকে দেয়। এ ক্ষেত্রে শিপমেন্ট হবে পণ্য পরীক্ষা করে সনদ দেওয়ার পর। নিম্নমানের পণ্য সরবরাহ করা হলে সরবরাহকারীর লোকাল এজেন্ট বরাবর লিখিত অভিযোগ করতে হবে। সার্ভেয়ার পণ্য পরীক্ষা করে রিপোর্ট দেবে। রিপোর্টে অভিযোগ প্রমাণ হলে ব্যাংকের মাধ্যমে সরবরাহকারীর কাছ থেকে টাকা ফেরত আনার আবেদন করলে হতে পারে সমস্যার সমাধান।
Create your website at WordPress.com
Get started